June 21, 2026, 4:34 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরে বিজিবির অভিযানে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ দুই চোরাকারবারি আটক ইবিতে সচেতন খাদ্যাভ্যাস, স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত দৌলতদিয়ায় এসবি বাস দুর্ঘটনার তদন্ত/ বাসের যান্ত্রিক ত্রুটি, ফিটনেস না থাকা, ঘাট অব্যবস্থাপনা দায়ী হঠাৎ মন্ত্রীর আগমন, উন্মোচিত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাপের আক্রমণ বাড়ছে, ২ সপ্তাহে কামড় ৮ জনের, মৃত্যু ১ মেসির হ্যাটট্রিকে দাপুটে জয়, বিশ্বকাপ অভিযান শুরু আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় সরকার—তথ্যমন্ত্রী তীব্র ইস্যুতে সংসদে বিরোধী দলের নীরবতা: কৌশল, সীমাবদ্ধতা নাকি দায়িত্বহীনতা? হত্যা মামলায় জামিন পেলেন অধ্যাপক আবুল বারকাত, কারামুক্তিতে বাধা নেই কুষ্টিয়ায় চিকিৎসকের অপেক্ষায় তালাবদ্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সেবা না পেয়ে ফিরে যান গ্রামের মানুষ

লকডাউনের মেয়াদ বাড়াবে ভারত, শিথিলও হবে কিছূ জায়গায়

দৈনিক কুষ্টিয়া ডিজিটাল ডেস্ক//এনডিটিভি

আবারও লকডাউনের মেয়াদ বাড়াতে যাচ্ছে ভারত। আগামী ১৭ মে বর্তমান মেয়াদ শেষ হলেও যেসব এলাকায় সংক্রমণের হার বেশি রয়েছে সেসব এলাকায় লকডাউন আরও কঠোর করা হতে পারে। তবে সংক্রমণের পরিমাণ কম থাকা এলাকাগুলোতে তা শিথিল করা হতে পারে। সোমবার (১১ মে) রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এক অনলাইন বৈঠকের পর এমন সিদ্ধান্ত।

করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে গত ২৫ মার্চ থেকে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই সময়ে খাবার ও ওষুধ কেনার মতো জরুরী প্রয়োজন ছাড়া নাগরিকদের ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়। ২১ দিনের মেয়াদ শেষের পর দ্বিতীয় দফায় তা আবারও বাড়ানো হয়। পরে আরও এক দফা বাড়ানোর পর আগামী ১৭ মে বর্তমান মেয়াদের লকডাউন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সম্প্রতি কিছু কিছু ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে ভারতের করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বর্তমানে প্রচলিত বিধিনিষেধে কোন ধরনের পরিবর্তন আনা যায় সেই বিষয়ে আগামী ১৫ মে’র মধ্যে পরামর্শ পাঠাতে মুখ্যমন্ত্রীদের অনুরোধ জানান তিনি। ভারতে যেসব এলাকায় করোনা সংক্রমণের হার বেশি সেসব এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছে সরকার। এসব এলাকায় গণপরিবহন বন্ধ ও রাতের বেলায় কারফিউ আরোপের মতো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে। এছাড়া যেসব এলাকায় আক্রান্ত পাওয়া যায়নি সেগুলোকে গ্রিন জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

লকডাউনের কারণে অচল হয়ে পড়া ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু করতে আগ্রহী। সংক্রমিত অঞ্চল বাদ দিয়ে অন্যান্য অংশ খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছেন বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এপ্রিলের শেষ দিকে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগের বৈঠকের পর ‘গ্রিন জোন’ ঘোষিত এলাকাগুলোতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সোমবার পর্যন্ত ভারতে ৬৭ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার ২০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর বর্তমান হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকলে আগামী ১৭ মে’র আগে আক্রান্তের সংখ্যায় চীনকেও ছাড়িয়ে যাবে ভারত।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net